Important Notice ::
 ডিগ্রী ২য় বর্ষ পরীক্ষার রুটিন-২০১৮ পেতে এখান থেকে ডাউনলোড  করুন (প্রকাশিত তারিখ 02.05.2019)। 

Soil Science (3301)::

ধামরাই সরকারি কলেজ
ধামরাই, ঢাকা।

মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ


                                              বিভাগের ছবি


  
     স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের ঢাকা জেলার অন্তর্গত ধামরাই নামক স্থানে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ধামরাই কলেজ। পরবর্তীতে ০১ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালে কলেজটিকে জাতীয়করণ করা হয়। প্রতিষ্ঠার সময় যে কয়টি বিষয় নিয়ে কলেজটির যাত্রা শুরু হয় তার মধ্যে মৃত্তিকাবিজ্ঞান একটি। শুরুতে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকগণ উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে শুধুমাত্র কৃষিশিক্ষা বিষয়টি পড়াতেন। কৃষি প্রধান বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি সবই কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাই কৃষির উন্নতি মাটির ধর্ম, বর্ণ, উর্বরতা, উৎপাদনক্ষমতা, পরিচর্যা, সংরক্ষণ পদ্ধতি জানা সংশ্লিষ্টদের জন্য অত্যাবশ্যক। অত্র অঞ্চলের দারিদ্র্য-পীড়িত মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ১৯৯৪-১৯৯৫ শিক্ষাবর্ষে বি.এসসি(পাস) কোর্সের ঐচ্ছিক বিষয় হিসাবে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ব্যবহারিক তাৎপর্য ও সহজে বোধগম্য হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়টি আকর্ষণীয় বিষয় হিসাবে পরিগণিত হতে থাকে এবং বি.এসসি(পাস) শ্রেণিতে দিন দিন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। এমতাবস্থায় ২০১১ সালে ধামরাই সরকারি কলেজ ০৬টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করার মাধ্যমে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বাহিরের ঢাকা জেলার একমাত্র সরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। যে ছয়টি বিষয় নিয়ে অনার্স কোর্সের যাত্রা শুরু হয়েছিল মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়টি তাদের মধ্যে একটি। এদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ঘাটতি কমানোর উদ্দেশ্য সফল করার সুবিধার্থে ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষ হতে ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির অনুমতি নিয়ে ধামরাই সরকারি কলেজে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্সের যাত্রা শুরু হয়। ইতোমধ্যে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়ের পাঁচটি শিক্ষাবর্ষে প্রায় ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়টি অধ্যয়ন করে বিষয় ভিত্তিক কর্মসংস্থান যেমন-বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হওয়ার বিস্তর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ব্যাংক, বীমা কোম্পানীসহ সাধারণ সকল প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর সুযোগতো রয়েছেই। মৃত্তিকাবিজ্ঞান অধ্যয়ন মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে ছাত্র-ছাত্রীরা স্বালম্বী হচ্ছে, বেকারত্ব কমছে ফলে দেশের অর্থনীতি সুদৃঢ় হচ্ছে।
      মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগে বিষয় সংশ্লিষ্ট ও সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ পুস্তক সম্বলিত একটি সেমিনার লাইব্রেরী আছে। যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত পড়ালেখ করে। এই লাইব্রেরীতে রক্ষিত বই ছাত্র-ছাত্রীরা সেমিনারের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ধার নিতে পারে।
      একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম যেমন-আন্তঃক্রীড়া, আবৃতি, বিতর্ক, রচনা, নাচ, গান প্রভৃতিতে অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছে।
      প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ বিভাগের শিক্ষকদের মেধা, শ্রম, দক্ষতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে চলেছেন। সর্বোপরি মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয় অধ্যয়নের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান দেশ ও জাতির কল্যাণে সুফল বয়ে আনবে বলে আশা করি।
     


  ক) কর্মরত শিক্ষকদের তালিকা :
পদের নাম
শিক্ষকগণেল নাম
মোবাইল নম্বর
ই-মেইল আইডি
 সহযোগী অধ্যাপক-০২
 শূণ্য    
 শূণ্য    
 সহকারী অধ্যাপক-০১
 জনাব মোহাম্মদ মহিদুর রহমান

 mahidurswe@gmail.com
 প্রভাষক-০২   জনাব তানিয়া হাসিন
   
 জনাব সানজিদা খানম
   
 প্রদশর্ক-০১  শূণ্য    


 খ) প্রাক্তন শিক্ষকদের তালিকা :
পদের নাম
শিক্ষকগণেল নাম
মোবাইল নম্বর
ই-মেইল আইডি
 সহযোগী অধ্যাপক
জনাব এ.এস.এম শফিকুল্লাহ


 সহকারী অধ্যাপক
জনাব রেখা রাণী সরকার




প্রভাষক
জনাব মো: মফিজুর রহমান


জনাব নুসরাত জাহান
   
জনাব মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান
   
জনাব ইশরাত জাহান    

গ) কর্মচারীদের তালিকা (অফিস সহায়ক) : 
নাম
মোবাইল নম্বর
 মো: সাগর
017923765956

এক নজরে বিভাগ (বিভাগ সম্পর্কিত তথ্য) :
১। অনার্স কোর্স শুরুর শিক্ষাবর্ষ : ২০১০-২০১১
২। সেমিনার লাইব্রেরীতে বইয়ের সংখ্যা : ৩০০ টি
৩। অনার্স কোস শুরুতে আসন সংখ্যা : ৫০ টি
৪। বর্তমান আসন সংখ্যা : ৫০ টি
৫। শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী ভর্তি ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা : ক) ২০১৪-২০১৫ : ৩৫ জন
                                                 খ) ২০১৩-২০১৪ : ২৫ জন
                                                 গ) ২০১২-২০১৩ : ১৮ জন
                                                 ঘ) ২০১১-২০১২ : ২৩ জন
                                                 ঙ) ২০১০-২০১১ : ৫০ জন

* বিভাগের সিলেবাস

* বিভাগের রুটিন

* বিভাগের নোটিশ